রাজাবাবু চলে হেলেদুলে
বছর তিনেক আগে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভি কিনেছিলেন মেহেরপুরের গাংনীর বাবুল আহমেদ। ওই গাভি থেকে জন্ম নেওয়া গরুও বড় হয়ে গেছে। এবারের ঈদ উপলক্ষে গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে সাত লাখ টাকা।
বাবুলের পরিবার গরুটির নাম রেখেছে রাজাবাবু। বাবুলের দাবি গরুটির ওজন প্রায় ৩০ মণ। বেশ কয়েকজন ব্যাপারী এসে সাত লাখ টাকা দাম হেঁকেছেন। এবারের কোরবানির পশুরহাটে রাজাবাবুকে বিক্রি করে বাড়ির অবশিষ্ট কিছু কাজ সেরে ফেলবেন।
বাবুলের বাড়ি গাংনীর গাড়াবাড়িয়া গ্রামে। তাঁর স্ত্রী মানছুরা খাতুন বলেন, পরিবারের সদস্যদের মতোই রাজাবাবুকে বড় করেছেন। একেবারে কৃষি খেত লাগোয়া বাড়ি হওয়ায় প্রতিদিন মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বভাবে রাজা বাবু বেশ শান্ত প্রকৃতির। সড়কে চলার সময় হেলেদুলে চলে।
বাবুল আহমেদ বলেন, বাবার রেখে যাওয়া দু-চার বিঘা কৃষিজমিতে চাষ করে তাঁদের দুই ভাইয়ের সংসার চলে। বছর তিনেক আগে ফ্রিজিয়ান জাতের গাভিটি কিনেছিলেন বামুন্দি পশুরহাট থেকে। ওই গাভির পেটে তখনই বাচ্চা ছিল। জন্মের পর রাজাবাবু বড় হয়েছে। এখন অনেকে রাজাবাবুকে দেখতে তাঁর বাড়িতে আসেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আজিজ আল মামুন বলেন, মেহেরপুরের প্রান্তিক কৃষকেরা কৃষিকাজের পাশাপাশি বাড়িতে দুই একটি করে গরু পালন করে আসছেন। অনেকে উন্নত জাতের গরু পালন করেন। এগুলোর মধ্যে বড় আকারের বেশ কয়েকটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু এবারের কোরবানির পশুরহাটে উঠবে।