সাতক্ষীরায় ঘের নিয়ে বিরোধে প্রাণ গেল একজনের

চিংড়ি ঘের নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় সাতক্ষীরার আশাশুনিতে একজন নিহত হয়েছে। আজ শনিবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
নিহত ব্যক্তির নাম শরবত মোল্লা (৫৫)। তিনি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গদাইপুর গ্রামের বাসিন্দা।
গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ পক্ষের সঙ্গে স্থানীয় বারিক মোল্লা ও শরবত মোল্লা পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গতকাল শুক্রবার সকাল আটটার দিকে খাজরা ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই টগর গদাইপুর মাছেরহাটে মাছ বিক্রি করতে যান। সেখানে শরবত মোল্যার ছেলে সবুজ হোসেন ও শ্যালক মোমিন হোসেনের নেতৃত্বে টগরকে মারপিট করা হয়। পরে ইউপি চেয়ারম্যান পক্ষের ৩০ থেকে ৪০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সবুজ ও রাজ্জাকের ওপর পাল্টা হামলা চালান। এ সময় তাদের উদ্ধার করতে গেলে শরবত মোল্লা ও তাঁর স্ত্রী শিফালি খাতুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোররাতে শরবত মোল্লা মারা যান।
শরবত মোল্লার বেয়াই বারিক মোল্লা বলেন, ৩৫ বিঘার চিংড়ি ঘের নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর স্বজনের বিরোধ ছিল।
ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নাওয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া যায়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আজ সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই আবদুস সালাম, জুলফিকার আলী, প্রতিবেশী মোহম্মাদ সরদার, জামসেদ মোল্লা, সাদ্দাম, কায়ুম ও শামিম হোসেনসহ ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। শরবত মোল্লার লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে আশাশুনিতে আনা