সালথায় আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিন নারীসহ চারজন গ্রেপ্তার
ফরিদপুরের সালথায় পুলিশের কাছ থেকে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার তিন নারী হলেন রহিমা আক্তার, চাঁদনী বেগম ও শারমিন আক্তার। অন্যজন হলেন সাইফুল ইসলাম। তাঁরা যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ ১৫ বস্তা ভাঙা ইট, ঢাল, সড়কিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) সুমিনুর রহমান বলেন, রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে ৩ নারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের সবাইকে গত ২১ এপ্রিল দায়ের করা পুলিশের ওপর হামলা মামলার আসামি দেখানো হয়েছে। সোমবার আদালতের মাধ্যমে ওই চারজনকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার দুপুরে সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামের ছয়আনি পাড়ায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে একদল নারী এক আসামিকে ছিনিয়ে নেন। পুলিশের এই অভিযানে কোনো নারী পুলিশ সদস্য না থাকায় নারীদের পক্ষে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া সহজ হয়েছিল। যে আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল, তাঁর নাম তারা মিয়া (৫৩)। তিনি খারদিয়ার ছয়আনি পাড়ার বাসিন্দা মৃত মোফাজ্জেল মিয়ার ছেলে। যে দুই পুলিশ সদস্য এ অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাঁরা হলেন সালথা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খারদিয়া এলাকার বিট কর্মকর্তা নাজমুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিয়াকত হোসেন।