বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মনোজ পান্ডে দুই দেশের মধ্যে চলমান সামরিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

যুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমনকি মার্কিন সরকারও সেদেশের জনগণকে বার্তা পাঠিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে বলছে। যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ সবাই দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, আসাম, মেঘালয় ও অরুণাচল রাজ্যে অতিবৃষ্টির কারণে এটি ঘটেছে। যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে ভারতের সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে তাঁর বৈঠকের কথা জানান।

বৈঠকে মনোজ পান্ডে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটি এমন এক ত্যাগের প্রতীক, যা নতুন প্রজন্মকে দেশকে ভালোবাসতে অনুপ্রাণিত করবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন