কিন্তু তিনি ওই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও শারীরিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়েও তাঁর বিরুদ্ধে থানায় আরেকটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

একপর্যায়ে ২০১৯ সালের জুনে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এরপর অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ করে তাঁকে গুরুদণ্ড হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয় বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।