শামসুল হক টুকু বলেন, ‘করোনার বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা আমরা ব্যয় করেছি। অথচ এর চেয়ে ১৬ গুণ বেশি মরণঘাতী ব্যাধি নিয়ে ব্যক্তিপর্যায়ে আমরা অনেকেই উদাসীন। এটি রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, তামাক কোম্পানিতে সরকারের শেয়ার ও সরকারের প্রতিনিধি আছে, যা দেশকে তামাকমুক্ত করতে বড় প্রতিবন্ধকতা।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর তামাকমুক্ত-বাংলাদেশ ঘোষণার ২৫ বছর সময়সীমার ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো ‘রোডম্যাপ’ তৈরি হয়নি। উপরন্তু, তামাক কোম্পানিতে সরকারের শেয়ার ও সরকারের প্রতিনিধি আছেন, যা দেশকে তামাকমুক্ত করতে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে এবং নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জনবল আরও অনেক বাড়াতে হবে। খেলাধুলার প্রসার ঘটাতে হবে। দেশের ছাত্রসংগঠনগুলোকে তামাকবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণসহ ছাত্রদের কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে।

অন্যদের মধ্যে মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য বীরেন শিকদার, শিরীন আখতার ও বাসন্তী চাকমা বক্তব্য দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অরূপ রতন চৌধুরী।