আজ রোববার সন্ধ্যায় পিজিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। এর আগে সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনায় পিজিসিবিসহ তিনটি সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে পিজিসিবির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে দায়িত্বে গাফিলতির জন্য পিজিসিবির দুই কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁরা দায়িত্বে অবহেলা করেছেন, তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে চিহ্নিত করে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নসরুল হামিদ।
৪ অক্টোবর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়। এদিন বেলা দুইটা থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলে ছয়-সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে ৫ অক্টোবর তদন্ত কমিটি গঠন করে পিজিসিবি। ছয় সদস্যের এই কমিটির প্রধান করা হয় পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরীকে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে একটি ও তৃতীয় পক্ষ থেকে আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়।

অপর দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনও চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।