এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল হককে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। তবে শোকজের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি কেন্দ্রীয় নেতারা। চিঠি পাওয়ার পরই জবাব দিতে রেজাউল ঢাকায় যান।

জানতে চাইলে রেজাউল হক বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি এখনো কারণের বিষয়ে জানেন না। কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সাংগঠনিক কাজে নড়াইল গেছেন। তাঁরা এলে কারণ জানতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেছেন, যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ওই ছাত্রী গত সোমবার লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে রেজাউল হক বাধা দিয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। তাই তাঁকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ শোকজ করে থাকতে পারে।

ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও এ আন্দোলনে যোগ দেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

গত রোববার রাত সাড়ে নয়টায় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। নিপীড়নের শিকার ছাত্রীর ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পোশাক ও কথাবার্তা শুনে মনে হয়েছে, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন