এখানে ডিজিটাল উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম আর-ভেঞ্চারসের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাঁদের অনন্য আইডিয়া প্রস্তাব করে স্বপ্নপূরণে এগিয়ে যেতে পারবেন। উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপে বিনিয়োগ করবে রবি।

ডিজিটাল উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম আর-ভেঞ্চারসের তৃতীয় সংস্করণে স্টার্টআপের আইডিয়া জমা দিয়ে এই বিনিয়োগ পাওয়া যাবে। এ জন্য উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আইডিয়া জমা নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে রবি।

২১ নভেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবি জানিয়েছে, এই সুযোগ থাকবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

www.robi.com.bd/en/personal/r-ventures লিংকে গিয়ে নিজেদের প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন তরুণ উদ্যোক্তারা।

প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর স্টার্টআপগুলো স্ক্রিনিং ও যথাযথ মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে যাবে। প্রথম পর্ব শেষে ৫০টি স্টার্টআপকে বাছাই করা হবে।

বাছাই করা স্টার্টআপদের জন্য বেশ কিছু বিনিয়োগকারী পিচিং ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হবে। যেখানে তারা রবির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও অন্যান্য বিনিয়োগকারীর সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ জুরি প্যানেলের সামনে নিজেদের প্রস্তাবগুলো তুলে ধরবেন।

অন্যতম প্রস্তাব ও তার কাজের ধরন অনুযায়ী নির্বাচিত সেরা ৫ থেকে ১০টি স্টার্টআপ পাবে বিনিয়োগ।

আর-ভেঞ্চারস ৩.০-এ নির্বাচিত স্টার্টআপগুলোয় আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে রবি। রবির পাশাপাশি অন্যান্য বিশেষজ্ঞ প্যানেল স্টার্টআপগুলোতে আলাদাভাবে বিনিয়োগ করবে।

বিনিয়োগের জন্য নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো আর-ভেঞ্চারসের সমৃদ্ধ পোর্টফোলিওর অংশ হবে। এই পোর্টফোলিওগুলোর মধ্যে আছে শাটল, এয়ারব্রিংগার, মেডইজি, সিগমাইন্ডের মতো সফল উদ্যোগগুলো।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপনা পরামর্শ, মেন্টরশিপ ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত উদ্যোক্তারা।

রবির আইসিটি সাবসিডিয়ারি রেডডট ডিজিটালের পৃষ্ঠপোষকতায় আর-ভেঞ্চারস হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত একটি অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড প্ল্যাটফর্ম। যা আর-ভেঞ্চারস প্রাইভেট ইক্যুইটি ফান্ড হিসেবে গঠিত। প্ল্যাটফর্মটির জেনারেল পার্টনার হলো এসবিকে টেক ভেঞ্চারস, যারা ফান্ড পরিচালনায় কাজ করছে।

তো, আর দেরি কেন? একজন আলোকিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তা হতে চাইলে মাথায় গিজগিজ করা আইডিয়াগুলো জমা দিয়ে ফেলুন উল্লিখিত লিংকে।