আজ রোববার এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, উন্নয়নশীল আট দেশের জোট ডি-৮–এর মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে খাদ্য ও জ্বালানি–নিরাপত্তা এবার বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

সম্মেলনে আট দেশের পক্ষে কারা থাকছেন জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, হিনা রাব্বানি খার ছাড়াও সাত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা তাঁদের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দেবেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির-আবদুল্লাহিয়ান, মিসরের একজন সহকারী মন্ত্রী, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত, মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল, নাইজেরিয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তুরস্কের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী সম্মেলনে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

হিনা রাব্বানির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হবে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘উনি দ্বিপক্ষীয় সফরে আসছেন না। উনি আসছেন ডি-৮ সম্মেলনে। সুতরাং আমরা ডি-৮ নিয়েই আলাপ করব।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবারের সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের নতুন সরকার বিলাওয়াল ভুট্টোর পরিবর্তে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিনা রাব্বানিকে ঢাকায় পাঠাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা একটি বৈশ্বিক সমস্যা, যা বৈঠকে আলোচনা করা হবে। কারণ, এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতার অনেক সুযোগ রয়েছে। আমরা খাদ্যনিরাপত্তাকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছি। খাদ্যনিরাপত্তা ইস্যু ব্যাপকভাবে আলোচিত হবে।’

রাশিয়া–ইউক্রেন চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি–নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হবে কি না, জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘এটি সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী একটি আলোচিত বিষয়। আমাদের অবশ্যই জ্বালানি–নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এটা নিয়েও আলোচনা হবে।’

ডি-৮ জোটের সদস্য হওয়ার জন্য আজারবাইজান আবেদন করেছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা সদস্যপদ পাবে কি না, সে বিষয়ে ডি-৮ মন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন