এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জোটের সাধারণ সম্পাদক এম কে রায়। তিনি বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে কোনো ধর্মকে অবমাননা করার অধিকার যেমন কারো নেই, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মন্দির, বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ভাংচুর ও নির্যাতন করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের মতো একটি অসাম্প্রদায়িক দেশে এ ধরণের সাম্প্রদায়িক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

যারা এসব ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত, যারা মদদ দাতা, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় এই প্রবণতা বেড়ে চলছে উল্লেখ করে এক কে রায় বলেন, ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার একটিরও সুষ্ঠু বিচার হয়নি। যদি একটি ঘটনারও সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতো তাহলে হয়তো এই ধরণের সাম্প্রদায়িক হামলা হতো না।

অনুষ্ঠানে জোটের সভাপতি সোনালী দাস বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হিন্দুরা যা উৎসর্গ করল তার প্রতিদানে এখন যা দেখছেন এতে তারা মর্মাহত, ব্যাথিত। তিনি বলেন, ‘আমরা আন্দোলন চাই না। সহিংসতা চাই না। শান্তিতে থাকতে চাই। এ দেশের জনগণের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। তারা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।’

২০০১ সালে জামায়াত ও বিএনপি যা করেছে, ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যা হয়েছে এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়, এমন প্রশ্ন তোলেন জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম কুমার দাস। জোটের আইনবিষয়ক সম্পাদক উদয় দাস বলেন, যে বাংলাদেশ হিন্দুদের রক্তে ভিজবে, এমন বাংলাদেশ তারা চান না।

অনুষ্ঠানে ভক্তসংঘের সভাপতি শান্তি রঞ্জন দাস অভিযোগ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও হিন্দুরা স্বাধীনতা পায়নি।’

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বিচারটা হওয়া দরকার। বিচার হলে এমন প্রবণতা কমবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন