সিএইচএস এডুকেশন লিমিটেড: বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথে আস্থার সহযাত্রী
বিদেশে উচ্চশিক্ষা এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়, বরং বাংলাদেশের তরুণদের জীবনের অন্যতম বড় লক্ষ্য। অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা থেকে ইউরোপ—বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার স্বপ্নে প্রতিবছর হাজারো শিক্ষার্থী দেশ ছাড়ছেন। কিন্তু এই যাত্রা কখনোই মসৃণ নয়। ভিসার জটিলতা, খরচের অনিশ্চয়তা, ভুয়া এজেন্টের প্রতারণা—সব মিলিয়ে অনেকেই মাঝপথেই থেমে যান।
এই বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সিএইচ এডুকেশন লিমিটেড, যা অল্প সময়েই বিদেশে উচ্চশিক্ষার আস্থার আরেক নাম হয়ে উঠেছে। কিন্তু শুরুর গল্পটা এতটা সহজ ছিল না প্রতিষ্ঠানটির।
শূন্য থেকে আস্থার ব্র্যান্ড
ঢাকার ধানমন্ডিতে ছোট অফিসে ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে সিএইচএস। এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রাজু। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগে স্নাতকোত্তর নাজমুল হাসান বর্তমানে ‘কোয়ালিটি এডুকেশন উইথ লিডারশিপ’ নিয়ে গবেষণা করছেন। শিক্ষা ও নেতৃত্ব বিকাশের অভিজ্ঞতা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে, যা শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে দিকনির্দেশনা দেবে।
নাজমুল হাসান রাজু বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল বিদেশের টপ র্যাঙ্কড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু নানা কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। আমার মতো অন্য কোনো শিক্ষার্থীরও যেন এমন স্বপ্ন ভঙ্গ না হয়, এ জন্য সিএইচএস প্রতিষ্ঠা করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখন তাঁদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করছি। তাই সিএইচএস শুধু উচ্চশিক্ষার জন্য কনসালটেন্সি নয়, এটি শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতীক।’
কেন শিক্ষার্থীরা ভরসা রাখছেন সিএইচএসে
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী একজন শিক্ষার্থী যে সুযোগগুলো চায়, তার অধিকাংশই নিশ্চিত করে সিএইচএস। যেমন অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ ও স্থায়ী আবাসনের সুযোগ তৈরি, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত গবেষণা সুবিধা, যুক্তরাজ্যে দ্রুত ভিসা প্রসেসিং, মালয়েশিয়ায় সাশ্রয়ী খরচ—ইত্যাদি দেশে শিক্ষার্থীদের ভিসা ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে নির্ভরযোগ্য গাইড হিসেবে কাজ করছে সিএইচএস। শুধু তা–ই নয়, ইউরোপের ফ্রান্স, সুইডেন কিংবা ডেনমার্ক, যেখানে এখন অনেক শিক্ষার্থী গন্তব্য খুঁজছেন, সেখানেও বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিসা প্রসেসিং সহজ করে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতায় সিএইচএস
সিএইচএসের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে একজন ফারজানা ববি। তিন একসময় কর্মরত ছিলেন ঢাকা ব্যাংকে। সংসার আর সন্তান সামলে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ তাঁর কাছে সহজ ছিল না। কিন্তু সিএইচএসের সহযোগিতায় এখন তিনি নিউজিল্যান্ডে স্নাতকোত্তর করছেন। অকল্যান্ডে বর্তমানে তাঁর পুরো পরিবার একসঙ্গে বসবাস করছে।
সামিউল আলম উপম ফ্রান্সে পড়তে যাবেন ভেবেও নানা সংশয়ে ছিলেন। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন, কীভাবে ভিসা প্রসেসিং করবেন—কিছুই স্পষ্ট ছিল না। সিএইচএস তাঁকে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়া সহজ করে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি ফ্রান্সের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইটিতে স্নাতক করছেন।
যুক্তরাজ্যে উচ্চতর পড়াশোনার স্বপ্ন ছিল সৃজিত পালের। কিন্তু স্কলারশিপ পাওয়া নিয়ে ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সিএইচএসের সহায়তায় তিনি বর্তমানে নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সে স্কলারশিপও পেয়েছেন।
শুধু ভর্তি নয়, পূর্ণাঙ্গ সেবা
শিক্ষার্থীরা যাতে কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েই না থেমে যান, বরং পুরো প্রক্রিয়ায় আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন, সে জন্য সিএইচএস দিয়েছে পূর্ণাঙ্গ সেবা। এর মধ্যে আছে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, স্কলারশিপ আবেদন, ডকুমেন্টেশন ও ভিসা প্রসেসিং এবং প্রি-ডিপারচার ব্রিফিং। এ ধরনের সহযোগিতাই সিএইচএসকে অল্প সময়ে একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে।
স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থাকে, আমি কি পারব? সিএইচএস এডুকেশন লিমিটেড সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দিয়েছে আস্থার আলোয়। কেবল পরামর্শ নয়, পূর্ণাঙ্গ সহায়তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে তরুণদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের সহযাত্রী হয়ে উঠেছে।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.chseducation.com