চট্টগ্রাম জেলার মানচিত্র

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া মিয়াখান নগর এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে সোমবার দিবাগত রাতে আওয়ামী সমর্থক স্থানীয় কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এর জন্য বিএনপিকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে বিএনপি তা অস্বীকার করছে।

বাকলিয়া মিয়াখান নগর বাদামতলী মোড়ে নগর বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ ছিল। সেখানে বিএনপির নেতা কর্মীরা জড়ো হয়। সভা শুরু হওয়ার আগে ওই সময় স্থানীয় কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার নেতৃত্বে একটি মিছিল সেখানে এসে হাজির হয়। তাদের বেশির ভাগেরই হাতে ছিল লাঠি ও রড। মাঝখানে বাকলিয়া থানার পুলিশ অবস্থান নিয়ে দুই পক্ষকে থামায়। এরই মধ্যে দুই পক্ষের কিছু লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বিএনপির কর্মী মো. সিরাজ, নরুদ্দিন, মো. রনি, জাহাঙ্গীরসহ ১০ জন আহত হন। অপরদিকে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা শোয়েব চৌধুরী, মো. সোহেলসহ পাঁচজন আহত হন। পরে বিএনপির নেতা কর্মীরা মিছিল নিয়ে কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।

কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির কর্মীরা তাঁর বাসায় হামলা চালিয়ে জানালার কাচ ভাঙচুরসহ ব্যাপক ক্ষতি করেছে।

তবে হামলার সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয় দাবি করে নগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির নেতা কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে জড়ো হয়। ওই সময় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরের নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম প্রথম আলোকে বলেন, দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। তারপরও কয়েকজন আহত হয়।