৬৮ শতাংশ জনগণ জানিয়ে দিয়েছেন সংবিধানের কোন জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে: সংসদে হাসনাত
সংবিধানকে যাঁরা ছুড়ে ফেলতে চান, তাঁদের স্বাধীনতাবিরোধী ট্যাগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অপমান করা হয়েছে কি না, ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্যতম মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ এ আহ্বান জানান।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ৬৮ শতাংশ (গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে) সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন এই সংবিধানের মৌলিক কোন জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে।
এর আগে সংসদে দেওয়া বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমানের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, এই সংবিধানের কিছু অংশ উনারা মেনেছেন। কিছু অংশ উনারা মানেননি। মানে, যে অংশটা উনাদের পক্ষে গেছে, ওটাই মেনেছেন। যেটা বিপক্ষে গেছে তা মানেননি। উনারা কখনো সাংবিধানিক কখনো অসাংবিধানিক। এই সংবিধান মানতে গেলে অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সেদিন কোন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে বর্তমান আইনমন্ত্রীকে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, ছাত্র–জনতার রায়ের মধ্য দিয়ে বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে বের করা হয়েছিল। সংবিধানের যে জায়গায় আপনারা সুবিধাভোগী হবেন, সেই জায়গাগুলো মেনেছেন।
গাং পার হলে মাঝি কোন দুলাভাই!—এমন প্রশ্ন তুলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত ১৭ বছর আপনাদের ধানক্ষেতে ঘুমাতে হয়েছে। মহাসচিব কান্না করে বলেছেন—তাঁদের নেতা-কর্মীরা ঢাকায় এসে রিকশা চালিয়ে জীবন নির্বাহ করেছে। আজকে লাখ লাখ নেতা–কর্মী রক্ত দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিটি দলের রক্ত শ্রম ও ঘামের মধ্য দিয়ে হাসিনার পতন হয়েছে। গণরায় কখনো কেতাবের কাছে মাথা নত করে না। এটা ভ্যাটিক্যান সিটি নয় যে গসপেল অনুযায়ী পরিচালিত হবে। ৬৮ শতাংশ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন এই সংবিধানের মৌলিক কোন জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে।