বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৩০ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এ ওই মামলা করেন। একই বছরের ২০ অক্টোবর বিচারিক আদালত খালিদীকে জামিন দেন। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট জামিন বাতিল প্রশ্নে রুল দেন। বিষয়টি আজ আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে।

আদালতে দুদকের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। খালিদীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহরিয়া কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

পরে এ কে এম আমিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, দুদকের করা আবেদনের শুনানি শেষে আদালত ১ ডিসেম্বর রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন। আদালতের অনুমতি ছাড়া এই সময়ে খালিদী বিদেশে যেতে পারবেন না।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকমের প্রধান সম্পাদক এইচএসবিসি ব্যাংক, ইস্টার্ণ ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাবে ৪২ কোটি টাকা জমা রেখেছেন; যেগুলোর বৈধ কোনো উৎস নেই। এই টাকা তিনি প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র সৃষ্টি করে অবৈধ প্রক্রিয়ায় অর্জন করেছেন মর্মে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি এ অস্থাবর সম্পদ অসাধু উপায়ে অর্জন করেছেন; যা তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ও জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত।

এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী।