প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের তাঁদের এলাকাকে খাদ্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন, যাতে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষাবাদের আওতায় আনা যায়।
সারা দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তাঁদের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনকল্যাণমূলক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং তার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন যেন নিশ্চিত হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে আপনাদের একটা বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। এলাকায় কী ধরনের অসুবিধা আছে, মানুষের জন্য কী কল্যাণকর কাজ করা যেতে পারে, উন্নয়নের জন্য কী কাজ করতে পারেন, সেটা আপনাদের ভাবতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের এখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র রয়েছে, অনেক দল রয়েছে। কেউ দল থেকে বা কেউ আলাদাভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে, যখন আপনি ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন, তখন আপনার দায়িত্ব সকলের জন্য।’

নিজের উদাহরণ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি সার্বিকভাবে উন্নয়নের ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রতিটি মানুষ যাতে উন্নয়নের ছোঁয়া পায়, সেই ব্যবস্থাই আমরা নিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা ৬১টি জেলা পরিষদে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ও এডিপির আওতায় ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিচারপ্রাপ্তি সহজ করতে ২৭ জেলার ১৩৫টি উপজেলার ১ হাজার ৮০টি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) বাস্তবায়ন করেছে। মানুষ যাতে ন্যায়বিচার পায়, সে জন্য আলাদা ফান্ড দিয়ে লিগ্যাল এইড কমিটি করেছে। অবকাঠামো উন্নয়ন যতভাবে করা যায়, তা করেছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম জেলা পরিষদের নির্বাচিত ও সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।