অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, নতুন একটি এয়ারলাইনস দেশের এভিয়েশন খাতে যুক্ত হচ্ছে, বিষয়টি অনেক গর্বের ও আনন্দের। বাংলাদেশ এভিয়েশন হাব হবে। সে লক্ষ্যে তারা এগিয়ে যাচ্ছে। এয়ার এ্যাস্ট্রার উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ গন্তব্যগুলোতে যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। এই যাত্রীদের ভালো মানের সেবা দিতে হবে। দুটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। একটি হচ্ছে, পরিচালন নিরাপত্তা (অপারেশনাল সেফটি), আরেকটি হচ্ছে যাত্রীসেবা। যাত্রীসেবা টেকসই করতে হবে। ভালো যাত্রীসেবা না দেওয়ার কারণেই অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা গোটাতে হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এয়ার এ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, ‘প্রায় ৯ বছর পর বাংলাদেশে একটি নতুন এয়ারলাইনস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল এয়ার এ্যাস্ট্রা। আমরা নিরাপদ যাত্রীসেবা ও সময়ানুবর্তিতার মাধ্যমে যাত্রীদের সবচেয়ে পছন্দের ও নির্ভরযোগ্য এয়ারলাইনস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
ইমরান আসিফ বলেন, ২৪ নভেম্বর ঢাকা থেকে কক্সবাজার নিজেদের আকাশপথের মধ্য দিয়ে এয়ার অ্যাস্ট্রা ফ্লাইট অপারেশন শুরু করবে। শুরুতে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা আকাশপথে তিনটি ও ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা আকাশপথে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার এ্যাস্ট্রা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এয়ার এ্যাস্ট্রা এরই মধ্যে ঢাকায় দুটি এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট ডেলিভারি নিয়েছে এবং আরও দুটি এয়ারক্রাফট চলতি বছরের মধ্যেই ডেলিভারি নেবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এয়ার এ্যাস্ট্রার এয়ারক্রাফটের বহর ১০টিতে উন্নীত হবে। ফ্রান্সে নির্মিত এটিআর ৭২-৬০০ বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক টার্বোপ্রপ প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্য এয়ারক্রাফট। এয়ারক্রাফটির আরামদায়ক কেবিন ৭০ জন যাত্রী বহন করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষে এয়ার এ্যাস্ট্রার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট উন্মোচন করেন বিমান প্রতিমন্ত্রী।