গত বছরের ২১ আগস্ট ঢাকায় বাংলাদেশ ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে চীনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পিপিপি নিয়ে রূপরেখা চুক্তির চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছিলেন, ‘এটি নতুন প্রস্তাব এবং চীনের এই প্রস্তাবকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা পিপিপিতে কাজ ও বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বলেছি। চীন এতে সম্মতি দিয়েছে।’

এদিকে রোববারের বৈঠক সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চীনা নববর্ষ দিবসে নতুন রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি করোনাভাইরাসের মহামারি মোকাবিলায় এবং চীন থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাবাসন এবং পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের চীনে প্রত্যাবর্তনে সহায়তার জন্য চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

আলোচনায় শাহরিয়ার আলম আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের মেয়াদে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। দুই পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, সংযোগ, কোভিড পরিস্থিতিসহ পারস্পরিক স্বার্থের দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে আন্তরিক আলোচনা করেছে।

প্রতিমন্ত্রী সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং চীন থেকে শিল্প স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করার জন্য চীনা রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে শাহরিয়ার আলম মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবর্তনের জন্য আলোচনার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান।