চীনের রাষ্ট্রদূতের ওই বিবৃতির কয়েক ঘণ্টা পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে বলা হয়, তাইওয়ান প্রণালিতে উদ্ভূত সংকট গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, এই ইস্যুতে কোনো পক্ষেরই এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া ঠিক হবে না, যা বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।

বাংলাদেশ এক চীন নীতির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জাতিসংঘের সনদ ও সংলাপের মাধ্যমে সব পক্ষকে মতভেদ দূর করার আহ্বান জানাচ্ছে।

প্রসঙ্গত ‘এক চীন’ নীতি বলতে তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে বেইজিং।

বিকেলে এ নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশ বরাবরই এক চীন নীতিতে বিশ্বাস করে। এ নিয়ে নতুন কোনো উত্তেজনা চায় না ঢাকা।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এমনিতেই বিশ্ব এখন নানা সমস্যায় জর্জরিত। নতুন সমস্যা তৈরি হোক, এটা আমরা চাই না। বাংলাদেশ সব সময়ই এক চীন নীতিতে বিশ্বাস করে। এ নিয়ে নতুন করে কোনো সংঘাত চায় না বাংলাদেশ।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন