প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মিজানুর রহমানের (অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিএমপি; সাময়িক বরখাস্ত ও পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত) বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ৬ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার তদন্ত শেষে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ তাঁকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। এ কারণে সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪২(১) ধারা অনুযায়ী মো. মিজানুর রহমানকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুষ নেওয়ার মামলায় মিজানুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এদিকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

অস্ত্রের মুখে এক নারীকে তুলে নিয়ে বিয়ে করাসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বিভাগ মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল। তখন তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অ্যাপস) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। ২০১৯ সালের ২ জুন গ্রেপ্তার করে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান।