হলের শিক্ষার্থী এমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, হলের শৌচাগার নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। হলে বেশির ভাগ সময় পানি থাকে না। সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। ট্যাংক থেকে যে পানি আসে, তাতে ময়লা থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এই শিক্ষার্থী বলেন, হল কর্তৃপক্ষকে এসব সমস্যার কথা বারবার জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

হলের আরেক শিক্ষার্থী সুমন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, হলের খাবার মুখে নেওয়া যায় না। পুরো হলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটিমাত্র রাউটার আছে, তা চলে ধীরগতিতে। মাঠ খেলার অনুপযোগী, চারপাশ অপরিচ্ছন্ন।

সুমন মিয়া বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হলের প্রাধ্যক্ষ এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে হলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার ঘোষণা দেন তিনি। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিনিধিদল শিক্ষার্থীদের চাহিদার কথা প্রাধ্যক্ষকে জানাবে। পরে প্রাধ্যক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। এই আশ্বাস পাওয়ার পর তাঁরা তালা খুলে দিয়েছেন।

আলাওল হলের প্রাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, হলের সংস্কারকাজ চলছে। ঠিকাদার কাজগুলো ধীরগতিতে করছেন। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সভা করেছেন। সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করা হবে।