হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এ বছরের সম্মেলনে পৃথিবীর অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানেরা অংশগ্রহণ করছেন। যেটি প্যারিসে ও কোপেনহেগেনে হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েকটি জলবায়ু সম্মেলনে হয়নি। এটি আশার কথা। কারণ, রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানেরা যখন অংশ নেন, তখন বিশ্বসমাজ, পরিবেশকর্মী ও জলবায়ু পরিবর্তনে আমাদের মতো সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগীদের কথা তাদের কানে যায়।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি কপ সম্মেলন থেকে অনেক আশা নিয়ে আমরা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাই। কিন্তু যে আশার বাণীগুলো শোনানো হয়, সে অনুযায়ী পরবর্তী বছরে যথাযথভাবে কাজ হয় না। এবার এর সঙ্গে নতুন অনুষঙ্গ যুক্ত হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ।’

হাছান মাহমুদ বলেন, অনেক আগে থেকেই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু বছরে ১০০ কোটি ডলার জলবায়ু তহবিল হিসেবে দেওয়ার কথা ছিল, তা আশাই থেকে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের অন্যতম দাবি ছিল, টেকনোলজি ট্রান্সফার। অর্থাৎ যেসব দেশে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নেই, সেসব দেশে প্রযুক্তি সরবরাহ করা। এ বিষয়েও তেমন অগ্রগতি নেই।’

সম্মেলনের পাশাপাশি ১০ ও ১১ নভেম্বর শার্ম এল-শেখে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে খাদ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থায় জলবায়ু সহনীয়তা’ ও ওয়াটারএইড আয়োজিত ‘দেশে পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনের ওপর দুর্যোগজনিত ক্ষতি’ শীর্ষক দুটি সেমিনারে যোগ দেবেন হাছান মাহমুদ।