প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু ও তরুণদের মধ্যে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশের তরুণেরা দক্ষতায় সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে। ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান, সুন্দরভাবে কাজ করা ও উদ্যোক্তা তৈরির জন্য তরুণদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

ইউনিসেফের শিক্ষাবিষয়ক পরিচালক রবার্ট জেনকিন্স বলেন, দক্ষ শিশু ও তরুণ প্রজন্ম দেশের সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও আর্থসামাজিক উন্নতির জন্য অনুপ্রেরণা জোগায়। অথচ শিশু ও তরুণদের বড় অংশ অদক্ষ, যা বিশ্বকে অনুৎপাদনশীলতার দিকে নিয়ে যাবে। এই সংকট সমাধানে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষিত ও তাদের দক্ষতা উন্নয়নে জরুরি ভিত্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্প আয়ের তিন ভাগের এক ভাগ দেশের ৮৫ ভাগ তরুণের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের জন্য যে দক্ষতা প্রয়োজন তা নেই। যেসব দেশের তরুণেরা বিদ্যালয়ের বাইরে ও মাধ্যমিক স্তরে কম দক্ষতা অর্জন করে, সেসব দেশ দক্ষ জনশক্তির সংকটে ভুগছে। সেসব দেশের বেশির ভাগ তরুণ কর্মজীবন শুরু করার জন্য প্রস্তুত নয়।

নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ১০ বছর বয়সী বেশির ভাগ শিশুরা একটি সাধারণ পাঠ্য পড়তে ও বুঝতে অক্ষম। আর এই মৌলিক দক্ষতা না থাকায় পরবর্তী শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন