কী ধরনের ব্যবস্থা নেবেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন এলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব। কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব, এটা নির্ভর করবে প্রতিবেদনে কী আসে, তার ওপর। কিন্তু অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কিছু না হয়। আমাদের প্রশ্নের পুরো প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন হয়, প্রশ্ন একজন সেট করেন, অন্যরা মডারেট করেন। তারপর পরীক্ষার্থীদের হাতে প্রশ্নপত্র যাওয়ার আগপর্যন্ত এটি আর কারও দেখার সুযোগ থাকে না। তাঁদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। তাঁদের নির্দেশিকা দেওয়া থাকে। তারপরও যদি কেউ এটি করেন, তাহলে বুঝতে হবে হয় চরম অবহেলা অথবা ইচ্ছাকৃত। সেদিকে আমাদের যেমন নজর দিতে হবে, আমরা কাদের প্রশ্নকর্তা ও মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব দিচ্ছি, সেটা দেওয়ার ক্ষেত্রেও আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। সব বোর্ডকেও সতর্ক হতে হবে। এসব বিষয় আমাদের পুরো সিস্টেমে ভালো করার চেষ্টা করব।’

গত রোববার অনুষ্ঠিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে একটি প্রশ্নের উদ্দীপক (সৃজনশীল প্রশ্নের একটি অংশ) হিসেবে এমন বিষয়কে বেছে নেওয়া হয়, যা খুবই সংবেদনশীল বিষয়। এতে সাম্প্রদায়িক উসকানি রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকেও লেখালেখি হচ্ছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সূত্রমতে, সাম্প্রদায়িক ও বিদ্বেষপূর্ণ কোনো বক্তব্য যেন প্রশ্নপত্রে না থাকে, সে জন্য প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সময়ই লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশ্নপত্র দেখার কোনো সুযোগ থাকে না। তাই তাৎক্ষণিকভাবে সেটি বোঝা যায় না।

এদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় বাংলা-২ (সৃজনশীল) পরীক্ষার একটি প্রশ্নপত্র নিয়েও বিতর্ক উঠেছে। সেখানে একজন কথাসাহিত্যিককে নিয়ে এমনভাবে প্রশ্ন করা হয়েছে, যাতে তাঁকে হেয় করা হয়েছে, যা মূলত বিদ্বেষপূর্ণ। গত রোববারই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।