বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১–এর ৬৫ (৫) ধারা অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল কমিশনের চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুনানির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য চার অপারেটরকে ৭ জুন চিঠি দেয় বিটিআরসি। এতে বলা হয়, পুরো টাকা ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

গতকাল বিটিআরসি জানিয়েছে, ভ্যাটসহ ১২ জুলাই বাংলালিংক ১৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে। পরদিন ১৩ জুলাই গ্রামীণফোন ৫২ লাখ ৫০ হাজার এবং গতকাল রবি ২ কোটি ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে।

বিটিআরসির নথিপত্র বলছে, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০১৯ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিটিআরসি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ ৪ অপারেটরের ৫২ হাজারের বেশি সিম জব্দ করে। সবচেয়ে বেশি সিম জব্দ হয়েছিল টেলিটকের, ৩২ হাজার ৮৪৫টি। এরপর প্রক্রিয়া শেষে টেলিটককে প্রায় ১৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।

এ জরিমানা মওকুফের আবেদন করে টেলিটক। পরে শুনানি শেষে জরিমানা কমিয়ে টেলিটকের জরিমানা পাঁচ কোটি টাকা ধার্য করা হয়।

রবির ১৬ হাজার ৩৯০টি, গ্রামীণফোনের ২ হাজার ৩৫৬ ও বাংলালিংকের ৭৫৩টি সিম জব্দ করা হয়েছিল। তাদেরও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জরিমানা করা হয়েছিল। শুরুতে রবিকে ৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, গ্রামীণফোনকে প্রায় ৯৯ লাখ টাকা ও বাংলালিংককে ৩৩ লাখ টাকার কিছু বেশি জরিমানা করা হয়েছিল; পরে তা কমানো হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন