সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সেনাবাহিনী চাচ্ছে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের দেওয়া যেকোনো দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় সেনাবাহিনী দুর্যোগ মোকাবিলা ও জাতি গঠন–সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং অনেক নিরাপত্তামূলক দায়িত্বও পালন করে থাকে। ডিসি সম্মেলনে কথা প্রসঙ্গে গত বন্যার সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে, অন্যান্য কাজেরও প্রশংসা করা হয়েছে।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমরাও বলেছি, বর্তমান সেনাবাহিনী নিচের পর্যায়সহ সবার মধ্যে একটি অনূভূতি এসেছে, বেসামরিক প্রশাসন আমাদের সঙ্গে আগের চেয়ে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং আমরা কাজ করে আগের চেয়ে অনেক স্বাচ্ছন্য বোধ করছি।’

ডিসি সম্মেলনে পরপর দুই বছর সশরীর উপস্থিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এতে এটাই প্রমাণ করে যে এটিকে তিনি কতটা গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, প্রশাসনে মাঠপর্যায়ে যাঁরা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন, তাঁরা হলেন ডিসি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের অনেক দায়িত্ব পালন করে, যেগুলো বেসামরিক প্রশাসনের আওতায়। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় যেসব কর্মকাণ্ড করা হয়, সেগুলো কিন্তু বেসমারিক প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া করা অসম্ভব।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি এ বার্তাই পরিষ্কার করে দিয়ে গেলেন যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এসেছেন, সেনাবাহিনীও চাচ্ছে বেসামিরক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের দেওয়া যেকোনো দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা।