নারী প্রার্থী কম, দলগুলো কথা রাখেনি
কথা ছিল ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের। বিএনপির মোট প্রার্থীর ৩.৫% নারী।জামায়াত কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি।
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় রাজনৈতিক দলগুলোর মতৈক্য হচ্ছিল না। একপর্যায়ে ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তাব আলোচনায় আসে। অধিকাংশ দল এতে একমত হয়। নারী অধিকারকর্মীদের বিরোধিতার মধ্যেও এবারের নির্বাচনে ৫ শতাংশ মনোনয়ন দেওয়ার ব্যবস্থা রেখে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করা হয়।
ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি ৫ শতাংশ নারী মনোনয়নের কথা বললেও এবার নির্বাচনে দলটি তা মানেনি। জামায়াতে ইসলামী কোনো আসনেই নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। আর আসন সমঝোতা করতে গিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একজন ও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) তিন নারী প্রার্থী ছেঁটে ফেলেছে।
এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুসারে, বিএনপি ২৮৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে নারী মাত্র ১০ জন। অর্থাৎ বিএনপির মোট প্রার্থীর ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে গত মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে কতজন নারী চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, তা জানা যায়নি। তবে যেসব আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্রভাবে নারী প্রার্থী ছিলেন, সেসব আসনের ১৮টিতে প্রথম আলো খোঁজ নিয়ে দেখেছে, বড় ও পরিচিত দলের পাশাপাশি তুলনামূলক ছোট দলের এবং স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী কমেছে। ১৮টি আসনে নারী প্রার্থী ছিলেন ২১ জন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর তা কমে হয়েছে ১৮। কারও প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। কেউ শেষ দিনে প্রত্যাহার করেছেন। কুড়িগ্রাম–৪ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) মোছা. শেফালী বেগমের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। বগুড়া–১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. শাহজাদী আলম লিপি ও নাটোর–২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। রংপুর–৩ আসন থেকে হিজড়া প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোছা. আনোয়ারা ইসলাম রানী।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে ২ হাজার ৫৮০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০৯ জন নারী। তাঁদের ৭২ জন বিভিন্ন দলের, ৩৭ জন স্বতন্ত্র। এখন পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুসারে, ২৯৮টি আসনে (পাবনা–১ ও ২ ছাড়া) প্রায় ২ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাঁদের মধ্যে নারী কতজন, তা এখনো জানা যায়নি।
বিএনপির নারী প্রার্থী সাড়ে ৩ শতাংশ
এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুসারে, বিএনপি ২৮৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে নারী মাত্র ১০ জন। অর্থাৎ বিএনপির মোট প্রার্থীর ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। তাঁরা হলেন সানজিদা ইসলাম (ঢাকা-১৪), আফরোজা খানম (মানিকগঞ্জ-৩), ফারজানা শারমিন (নাটোর-১), শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২), চৌধুরী নায়াব ইউসুফ (ফরিদপুর-৩), সাবিরা সুলতানা (যশোর-২), ইসরাত সুলতানা (ঝালকাঠি-২), সানসিলা জেবরিন (শেরপুর-১), তাহসিনা রুশদীর (সিলেট-২) এবং নাদিরা চৌধুরী (মাদারীপুর-১)।
ঐকমত্য কমিশনে প্রস্তাব করেও এখন ৫ শতাংশ নারী মনোনয়ন না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এটা সত্যি, নারীর মনোনয়ন অনেক কম হয়ে গেছে। এরপরও মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দলগুলোকে অনেক কিছু চিন্তা করতে হয়। প্রার্থীর এলাকাভিত্তিক কর্মকাণ্ড, জনপ্রিয়তা দেখা হয়। যাতে প্রার্থী জিতে আসতে পারেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, পুরুষ প্রার্থীরাও হারেন। তাই রাজনীতিতে নারীদের সামনে এগিয়ে নিতে দলগুলোর সুযোগ দেওয়া উচিত।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তিন আসনে (দিনাজপুর–৩, বগুড়া–৭ ও ফেনী–১) কোনো নারী মনোনয়ন পাননি। জ্যেষ্ঠ নেতা হলেও সেলিমা রহমান নিজেও মনোনয়নবঞ্চিত। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বাবুগঞ্জে মশালমিছিল ও বিক্ষোভ করেছিলেন তাঁর সমর্থকেরা।
আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, পুরুষ প্রার্থীরাও হারেন। তাই রাজনীতিতে নারীদের সামনে এগিয়ে নিতে দলগুলোর সুযোগ দেওয়া উচিতবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান
এদিকে দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন রুমিন ফারহানা। আওয়ামী লীগের সময়ে টক শোতে দলের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা ছিল বিএনপির সাবেক এই কেন্দ্রীয় নেত্রীর। নারীকে মনোনয়ন না দেওয়া প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা প্রথম আলোকে বলেন, রাজনীতিতে নিজের যোগ্যতায় উদ্ভাসিত নারীদের হুমকি মনে করেন পুরুষেরা। সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও জনপ্রিয় নারী প্রার্থীদের কোণঠাসা করে রাখলে নারীরা রাজনীতিতে এগোতে পারবেন না। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান, তারা যেন যোগ্য নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী এগোতে দেন, তাঁদের যেন দল থেকে ছেঁটে ফেলে না দেন।
জামায়াতের কোনো নারী প্রার্থী নেই
৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামীও। জোটবদ্ধ হওয়ার পর আসন সমঝোতায় জামায়াতে ইসলামী দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। এর মধ্যে একজনও নারী নেই।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রথম আলোকে বলেন, জোটে থাকা এনসিপির নারী প্রার্থী রয়েছে। নীতিগত বিষয়ে একমত হতে না পারার কারণে জামায়াত এবার নারী প্রার্থী দিতে পারেনি। তা ছাড়া যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি, অনেক নারী প্রার্থী হতে রাজি হননি। তবে সামনের নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের রাখা হবে।
ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ার পর ‘১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ জামায়াত ছাড়া আরও রয়েছে এনসিপি, এলডিপি, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)। এই ১০টি দলের মধ্যে শুধু এনসিপি ও এবি পার্টি ৩ জন করে নারীকে মনোনয়ন দিয়েছিল। আসন সমঝোতায় এনসিপি ১ জন নারী প্রার্থী ও এবি পার্টি ৩ জন নারী প্রার্থীকেই বাদ দিয়েছে।
নারী প্রার্থী বাদ পড়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু প্রথম আলোকে বলেন, দল থেকে তাঁরা তিন নারীকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। কিন্তু জোটে তাঁরা পেয়েছেনই তিনটি আসন। এসব আসনে নারী প্রার্থী ছিল না। আর যে তিনজন নারীকে তাঁরা মনোনয়ন দিয়েছিলেন, তাঁরা বাদ পড়ে গেছেন ওই সব আসনে ‘দলের অবস্থান শক্তিশালী নয়’ বিবেচনায়।
জোটে থাকা এনসিপির নারী প্রার্থী রয়েছে। নীতিগত বিষয়ে একমত হতে না পারার কারণে জামায়াত এবার নারী প্রার্থী দিতে পারেনি। তা ছাড়া যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি, অনেক নারী প্রার্থী হতে রাজি হননি। তবে সামনের নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের রাখা হবে।জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
তরুণদের দল এনসিপি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় নারীর জন্য ১০ শতাংশ মনোনয়ন রাখার প্রস্তাব করেছিল। পরে বিএনপির ৫ শতাংশ প্রস্তাবে এই দলটিও সম্মতি দেয়। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির ৩০টি আসনে সমঝোতা হতে পারে প্রাথমিকভাবে শোনা গিয়েছিল। তবে এনসিপি ৪৭ আসনে প্রার্থী দিয়ে রেখেছিল। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন তিনজন, অর্থাৎ প্রায় ৭ শতাংশ। তবে শেষ পর্যন্ত আসন সমঝোতায় এনসিপি ৩০টি আসন পেয়েছে (অবশ্য একটি আসন উন্মুক্ত)। তিন নারী প্রার্থীর মধ্যে বাদ পড়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনে এনসিপির মাহমুদা আলম। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা এনসিপির দুই নারী প্রার্থী হলেন দিলশানা পারুল (ঢাকা–১৯) ও নাবিলা তাসনিদ (ঢাকা-২০)।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাহমুদা আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি।’
এর আগে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার প্রতিক্রিয়ায় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন দল থেকে পদত্যাগ করেন। তাঁরা ঢাকা–৯ ও ঢাকা–১৭ আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তাসনিম জারা পরে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাজনূভা নির্বাচন করছেন না।
জাতীয় পার্টি মনোনয়ন দিয়েছে ৩%
নারী প্রার্থী মনোনয়নে অনেকটা একই পথে হেঁটেছে জাতীয় পার্টি। দলটি ১৯৮ আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে, এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৬। অর্থাৎ মোট মনোনয়নের মাত্র ৩ শতাংশ নারী। তাঁরা হলেন নুরুন নাহার বেগম (ঠাকুরগাঁও–২), মনিকা আলম (ঝিনাইদহ–১), শামীম আরা পারভিন ইয়াসমিন (খুলনা–৫), বহ্নি ব্যাপারী (ঢাকা–১০), মেহেরুন নেসা খান হেনা (নরসিংদী–৫) ও মিথিলা রোয়াজা (খাগড়াছড়ি)।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, মোট মনোনয়নের তুলনায় দল থেকে নারী প্রার্থী মনোনয়নের হার অনেক কম। জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছিল, হামলা করা হয়েছিল। এই ভীতিকর পরিস্থিতির কারণে দলের অনেক নারী প্রার্থী হতে চাননি।
অন্যান্য দল
গণসংহতি আন্দোলন থেকে ঢাকা–১২ আসনের প্রার্থী তাসলিমা আখতার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের দল থেকে মোট ১৮ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে নারী প্রার্থী চারজন। দলটিতে নারী প্রার্থীর হার ২২ শতাংশের বেশি।
বাসদ (মার্ক্সবাদী) থেকে ঢাকা–৭ আসনের প্রার্থী সীমা দত্ত জানান, তাঁদের ৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী ১০ জন।
বাসদের মোট প্রার্থী ৩৭ জন। বরিশাল–৫ আসনের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্ত্তী জানান, তাঁদের নারী প্রার্থী ৫ জন।
সিপিবির ৬৩ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী ১ জন, নেত্রকোনা–৪ থেকে জলি তালুকদার।
‘আমি দুঃখিত, ব্যথিত’
সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় নারীর মনোনয়ন নিয়ে দলগুলো একমত হচ্ছিল না। শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বললেন, এবার নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী মনোনয়ন দেবেন তাঁরা। এটা “জেন্টলম্যান অ্যাগ্রিমেন্ট”। তিনটি দল ছাড়া বাকিরা সম্মতি দিয়েছিল। কিন্তু আমি দুঃখিত ও ব্যথিত যে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েও তাঁরা তা পূরণ করেননি।’
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী প্রথম আলোকে বলেন, নারী অধিকারকর্মীরা বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন ৫ শতাংশ মনোনয়ন বাড়ানোর ক্ষেত্রে। কিন্তু দলগুলো তা করেনি, উপরন্তু প্রতিশ্রুতি দেওয়া ৫ শতাংশ মনোনয়নও দেয়নি। এর মাধ্যমে দলগুলো আসলে নারীদের অবজ্ঞা করল, হতাশ করল। তিনি বলেন, ‘১৯৯১ থেকে পরবর্তী সময়ে জাতীয় নির্বাচনে এত কমসংখ্যক নারীকে মনোনয়ন দিতে দেখা যায়নি। মনে প্রশ্ন জাগে, কোন পরিস্থিতি হলো যে নারীদের এত কম মনোনয়ন দেওয়া হলো? আমরা কি তাহলে পেছনের দিকে হাঁটছি?’
কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় নারীর মনোনয়ন নিয়ে দলগুলো একমত হচ্ছিল না। শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বললেন, এবার নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী মনোনয়ন দেবেন তাঁরা। এটা “জেন্টলম্যান অ্যাগ্রিমেন্ট”। তিনটি দল ছাড়া বাকিরা সম্মতি দিয়েছিল। কিন্তু আমি দুঃখিত ও ব্যথিত যে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েও তাঁরা তা পূরণ করেননি।অধ্যাপক আলী রীয়াজ