খালেদা জিয়ার বাড়ির ফটকে থাকা নিরাপত্তাকর্মী
‘কেউ বাড়ির ভেতরে গেলে বা বাইরে বের হলে পুলিশ তল্লাশি করে’
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’–এর সামনে সড়কের দুই দিকে আজও নিরাপত্তাচৌকি বসিয়ে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে।
খালেদা জিয়ার বাড়ির প্রধান ফটকে দায়িত্বরত একজন নিরাপত্তাকর্মী বলেছেন, কেউ বাড়ির ভেতরে গেলে বা বাইরে বের হলে পুলিশ তাঁদের তল্লাশি করে। পুলিশ বলেছে, সন্দেহজনক কোনো গাড়ি বা পথচারী চলাচল করলে তল্লাশি করে তারা।
গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে গত শনিবার রাতে নিরাপত্তাচৌকি বসানো হয়।আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নিরাপত্তাচৌকিতে কোনো যানবাহন বা পথচারীকে তল্লাশি করতে দেখা যায়নি। এই সড়কে অন্যান্য যানবাহনের মতো রিকশাও চলাচল করতে দেখা গেছে। গতকাল রোববার সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত রিকশা চলাচল বন্ধ রেখেছিল পুলিশ।
খালেদা জিয়ার বাড়ির প্রধান ফটকে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী নাম প্রকাশ না করে প্রথম আলোকে বলেন, আজ (সোমবার) ম্যাডামের বাড়িতে বাইরে থেকে কেউ আসেননি বা কেউ ভেতরে ঢোকেননি। কেউ ভেতরে গেলে বা বাইরে বের হলে পুলিশ তাঁদের তল্লাশি করে। সাধারণত মেডিকেল টিম ছাড়া ম্যাডামের বাড়িতে কেউ আসেন না বা যান না।
নিরাপত্তাচৌকিতে দায়িত্বরত গুলশান থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিজানুর রহমান বলেন, সড়কের দুই পাশে আটজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
নিরাপত্তাচৌকিতে দায়িত্বরত গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এএসআই) মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এই সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাঁরা দায়িত্ব পালন করছেন। সন্দেহজনক কোনো গাড়ি বা পথচারী চলাচল করলে সেগুলো তল্লাশি করছেন তাঁরা।
বিএনপি বলছে ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় তাদের সমাবেশ সামনে রেখে খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে পুলিশের এ নিরাপত্তাচৌকি বসানো হয়েছে। যেমন এর আগে (২০১৩ সালে ২৯ ডিসেম্বর) ‘ফিরোজা’র সামনের রাস্তায় দুটি ট্রাক দাঁড় করিয়ে খালেদা জিয়ার বাড়ি অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা অভিমুখে ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে নয়াপল্টনে যেতে চাইলে পুলিশের বাধায় গুলশানের বাসা থেকে বের হতে পারেননি তিনি।