বিবৃতিতে বিশিষ্টজনেরা বলেন, ওমর ফারুক চৌধুরী তাঁর নিজ কার্যালয়ে ডেকে একজন কলেজশিক্ষককে নির্মমভাবে পেটানোর যে বর্ণনা আমরা গণমাধ্যমে পেয়েছি, তাতে আমরা বিস্মিত, স্তম্ভিত ও উদ্বিগ্ন। একজন আইনপ্রণেতা আইন লঙ্ঘন করতে পারেন না। সংসদ সদস্যের কলেজশিক্ষককে এভাবে পেটানোর ঘটনা ন্যক্কারজনক। জনপ্রতিনিধি হয়ে সমাজের সম্মানজনক পেশা শিক্ষকতায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে যে ঘৃণ্য অবমাননাকর মনোভাব প্রকাশ করেছেন, তাতে তিনি সংসদ সদস্যের শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।

এ ঘটনায় তিনটি দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট নাগরিকেরা। সেগুলো হলো শিক্ষক মারধর ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা; স্পিকারের রুলিং প্রদানসহ সংসদ সদস্য ওমর ফারুককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণ অনুসন্ধানসহ জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা।

বিবৃতি প্রদানকারী বিশিষ্টজনেরা হলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রামেন্দু মজুমদার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারওয়ার আলী, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানাদাশ গুপ্ত, মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি নুর মোহাম্মদ তালুকদার, কৃষক সমিতির সভাপতি এস এম এ সবুর, মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, উন্নয়নকর্মী রোকেয়া কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পারভেজ হাসেম, জাতীয় শ্রমিক জোটের কার্যকরী সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের (ইনসাব) সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক জীবনানন্দ জয়ন্ত, সংস্কৃতিকর্মী সেলু বাসিত, এ কে আজাদ, অলক দাসগুপ্ত, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খীসা ও সংস্কৃতি মঞ্চের আহ্বায়ক সেলিম রেজা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন