অনশনে অংশ নেওয়া সংগঠনের নেতারা বলেন, ২০১৯ সালের হাইকোর্টের রায় অনুসারে নদী ও তীর দখল করে গড়ে ওঠা ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা ঘরে ফিরে যাবেন না। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীতীরের আড়াই শতাধিক বনজ ও ঔষধি গাছ সংরক্ষণের দাবি জানান তাঁরা। অন্যথায় আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগ এনে যথাযথ আদালতে রিট আবেদন করা হবে।

অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন পরিবেশবিদ অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক নোমান আহমদ সিদ্দিকি, চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাফর আহমদ, সহসভাপতি লোকমান দয়াল প্রমুখ।