default-image

আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এ বছরের পদকের জন্য নির্বাচিত নারীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক’ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নানা আয়োজনের তথ্য তুলে ধরেন।

৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে দিবসটিকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হয় ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। এর পরের বছর থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নারীদের এ পদক দেওয়া শুরু হয়। এ দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা, অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা’।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী এবং সহযোদ্ধা। তিনি বাঙালি জাতির স্বাধীনতাসংগ্রামের প্রতিটি পদক্ষেপে বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন ও প্রেরণা দিয়েছেন। এ দিবস পালন উপলক্ষে ৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত ৫টি জেলাসহ সারা দেশে অসচ্ছল ও অসহায় নারীদের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার সেলাই মেশিন এবং ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রচিত ‘শেখ ফজিলাতুন্নেছা আমার মা’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়ব, শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনাম, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুজ্জামান, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সাকিউন নাহার বেগমসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়ভাবে ক্রোড়পত্র ও পোস্টার প্রকাশ করা হবে। বঙ্গমাতার গৌরবময় কর্মজীবনের ওপর প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও স্মরণিকা প্রকাশ করা হবে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। বঙ্গমাতার কর্মময় ও বর্ণাঢ্য জীবনের বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন