বেলা আড়াইটার দিকে দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জসীমউদ্‌দীন, আজমপুর, রাজলক্ষ্মী, হাউজ বিল্ডিং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নেতা-কর্মীরা জড়ো হচ্ছেন। পরে ধীরে ধীরে মিছিল-স্লোগান দিয়ে সোনারগাঁও জনপথ সড়কে যাচ্ছেন। উত্তরা ৫ ও ৭ নম্বর সেক্টরের মাঝে থাকা লেকের পাড়ে সড়কের ওপর দুটি ট্রাক পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে মঞ্চ করা হয়েছে। এতে সোনারগাঁও জনপথ সড়কের ১১ ও ১২ নম্বর সেক্টর মোড় থেকে হাউজ বিল্ডিং বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া মিছিলের কারণে আজমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে আবদুল্লাপুর সড়কেও যানজট দেখা গেছে।

অন্যদিকে সমাবেশে যোগ দিতে রঙিন টুপি-গেঞ্জি পরে এসেছেন অনেক এলাকার নেতা-কর্মীরা। ডুমনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা কমলা টুপি পরে এসেছেন। একই রঙের গেঞ্জি গায়ে সমাবেশে এসেছেন ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। বাদ্য-বাজনার তালে মাথায় হলুদ টুপি পরে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন ঢাকা উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের নেতারা। মিছিলের নেতৃত্ব দেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাইদুল ইসলাম মোল্লা। অনেক নেতা-কর্মী আবার ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রিয় দলের জার্সি ও পতাকা নিয়েও সমাবেশে যোগ দিতে এসেছেন।

সাড়ে তিনটার দিকে বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। মিছিলের সামনে ছিলেন কাউন্সিলর আফছার উদ্দিন খান। দুপাশে বড় দুটি জাতীয় পতাকা নিয়ে ছিলেন দুজন। আর মিছিলে আসা প্রত্যেকের হাতে ছিল আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা।

স্লোগানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা করছে। এ কারণে আওয়ামী লীগের নেতারা রাস্তায় নেমে এসেছেন। এই শান্তি সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপিকে সতর্ক করা হচ্ছে। বিশৃঙ্খলার সৃষ্টির চেষ্টা করলে বিএনপিকে ছাড় দেওয়া হবে না।