গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে। গণভোটে ‘না’ ভোট জয়ী হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী দল জুলাই সনদ মেনে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবে না। আর হ্যাঁ ভোট জয়ী হলে জুলাই সনদ মেনে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে নির্বাচিত সরকার বাধ্য থাকবে।
এ রকম অবস্থায় সরকার হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন সরকার যেখানে গণভোটের আয়োজক, সেখানে তারা একটি পক্ষ নিয়ে প্রচারণা চালাতে পারে কি না।
আজ রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে একজন সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন। এই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সরকার যখন হ্যাঁ-না ভোটের (গণভোট) আয়োজন করছে, তখন সরকারই হ্যাঁ ভোটের পক্ষের প্রচারণা চালাবে, এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেবেন কি?
এর জবাবে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘এটা নিয়ে কেউ কেউ দ্বিমত করতে পারেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলছি, সরকার এখানে হ্যাঁ ভোটের জন্য বলবে, জনগণকে বলবে।’
প্রেস সচিব বলেন, তাঁদের পেজগুলোতে (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ) ইতিমধ্যে বলছেন (হ্যাঁ ভোটের পক্ষে)। সরকারের উপদেষ্টারাও বলছেন। এটা বলার মূল কারণ হচ্ছে এই সরকার হচ্ছে সংস্কারের সরকার। এই সরকার ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে এই সংস্কারকে একটি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের চেষ্টা করেছে। এটাই এখন গণভোটে দেওয়া হচ্ছে।
প্রেস সচিব বলেন, ‘আমরা জনগণকে বলছি, আপনারা যদি আর অপশাসন না চান, আপনারা যদি স্বৈরাচারকে আর ফেরত না চান, অবশ্যই তাহলে আপনারা হ্যাঁ ভোট দেবেন। এখন জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু আমাদের যা দায়িত্ব সেটা আমরা করছি। সেটা এই সরকার করছে।’