হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘নির্বাচনের সময় যেটা হবে, তখন সরকার থাকবে। যে সরকারই হোক, একটা সরকার তো থাকবে। সরকার আমাদের সহযোগিতা করবে। আমরা সরকারের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারব। আমরা বলব, এই সহযোগিতাগুলো আমাদের দিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সরকার তখন “না” করতে পারবেন না, তাহলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।’

আইনের আলোকেই সরকারের কাছ থেকে ইসি সহযোগিতা চাইবে বলে উল্লেখ করেন সিইসি। তিনি বলেন, ইসির ওপর আরোপিত ক্ষমতার কমান্ড তাঁদের হাতে। কিন্তু শক্তিটা পুলিশ-বিজিবসহ অন্যদের হাতে।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা কমান্ড করলে যেন শক্তিটা রেসপন্স করে, সে ধরনের অবস্থা আমাদের সৃষ্টি করতে হবে। নির্বাচনের প্রয়োজনেই সেটি অপরিহার্যভাবে প্রয়োজন।’

সিইসি বলেন, নির্বাচনের কাজটি খুব সহজ নয়, কঠিন। কঠিন হলেও এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে। এই কঠিন কাজটা, চ্যালেঞ্জটা মোকাবিলা করতে হবে।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাধ্য অসীম নয়। অংশীজনের সহযোগিতা লাগবে। মোটাদাগে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা যায়।

সিইসি বলেন, ‘যদি আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সে প্রয়াস (রাজনৈতিক সমঝোতা) নেন, আমাদের তরফ থেকে চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না। আমাদের যতটুকু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োগ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’

ইসিতে নিবন্ধিত মোট ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে এই সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শেষ হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন