মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে জীবন চলবে না। বাঙালি সংস্কৃতির অনুষঙ্গগুলো নিজেদের ভেতরে ধারণ না করলে চলবে না। বিশেষ করে মেয়েদের অগ্রগতি একটি জাতির অগ্রগতির স্মারক। নারীর বিকশিত রূপ থেকেই একটি জাতিসত্তার পরিচয় টের পাওয়া যায়।’

এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘স্কুলে ছুটির ঘণ্টা শিশুদের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির ব্যাপার। ঘণ্টা পড়লে তাদের উল্লাস দেখলে মনে হয় তারা যেন জেলখানায় ছিল। স্কুলের ছুটির ঘণ্টা যেন শিশুদের জন্য বিষাদের ঘণ্টা হয়, সে রকম শিক্ষাক্রম নিয়ে আসছি আমরা। আগামী বছর থেকে আপনাদের বাচ্চারা স্কুল থেকে আসতে চাইবে না। স্কুলে তারা আনন্দ নিয়ে শিখবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সবখানে আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণ চালু করা হবে। সেখানে নাচ একটি অন্যতম অনুষঙ্গ হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনু হক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ও নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নৃত্যাঙ্গনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান।

গত ২৭ ও ২৮ আগস্ট নৃত্যাঙ্গনের আয়োজনে জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশ থেকে ৯৩৫ জন শিশু এতে অংশ নেয়। এর মধ্যে বিজয়ী ১১৩ শিশুশিল্পীকে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন অতিথিরা। এ অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল শিশুদের নৃত্য।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন