সোহেল রানা বলেন, ‘আম রপ্তানি বাড়ানোর জন্য বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলতে নেদারল্যান্ডসের আম মেলায় যেতে চেয়েছিলাম। সেখানে আট দিন থাকার কথা ছিল।

ভিসা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের জিআরসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজ যাচাই–বাছাই করে ভ্রমণের অনুমতি দিয়েছিল বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ। বিমানে ওঠার আগে কাতার এয়ারওয়েজের লোকজন অভিযোগ করেন যে আমার ভিসা জাল। ভিসা জালের কথা শুনে আমি ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ছুটে আসি। তারা পুনরায় যাচাই–বাছাই করে আমাকে ভ্রমণের অনুমতি দিতে কাতার এয়ারওয়েজকে অনুরোধ করে। কিন্তু তারা না শুনে আমাকে ফেরত পাঠায়।’

সোহেল বলেন, ‘ভিসার শেষে দুটি ডিজিট ২২ লেখা। একটি কিছুটা অস্পষ্ট থাকায় তাঁরা বলছেন, আমার ভিসা জাল। কিন্তু পুলিশ বলছে, আমার সব কাগজপত্র ঠিক আছে। এ বিষয়ে আগামী রোববার নেদারল্যান্ডস দূতাবাসে অভিযোগ করব।’

জানা গেছে, সোহেল রানা নওগাঁর সাপাহার উপজেলার গোডাউনপাড়া গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা। তাঁর আমবাগানের জমির পরিমাণ ১০৫ বিঘা। রয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের আমগাছ। এ বাগান ছাড়াও জেলার পত্নীতলা উপজেলার রূপগ্রাম এলাকায় সোহেল রানার ৪০ বিঘা জমির আরেকটি আমবাগান রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন