জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৩১ অক্টোবর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শাস্তির কথা জানিয়েছে। বিভাগীয় মামলা ও তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা আসিফ ইমতিয়াজ চট্টগ্রামে কর্মরত থাকার সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সেখানকার একটি বাসায় সাবলেটে ভাড়াটে হিসেবে নিয়মিত যাতায়াত করতেন।

ওই নারীর নামে বেসরকারি একটি ব্যাংকের চট্টগ্রামের কদমতলী শাখায় হিসাব খোলা ও লেনদেনের ক্ষেত্রে আসিফ ইমতিয়াজের সম্পৃক্ততা থাকার বিষয়টিও প্রমাণিত হয়। এতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

তবে নবীন কর্মকর্তা হওয়ায় আসিফ ইমতিয়াজকে গুরুদণ্ডের পরিবর্তে লঘুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে আগামী তিন বছরের জন্য বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে নামানো হয়েছে। অর্থাৎ ষষ্ঠ গ্রেডের বেতন স্কেল ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৬৭ হাজার ১০ টাকার হওয়ার সুযোগ তাঁর জন্য বন্ধ থাকবে। এই সময়ে তাঁর বেতন গ্রেড হবে ষষ্ঠ গ্রেডের নিম্নতর ধাপ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। তবে দণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৩৫, হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৬৭ হাজার ১০ টাকার হওয়ার সুযোগে প্রত্যাবর্তন করবেন। তিনি কোনো বকেয়া প্রাপ্য হবেন না।