‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও একজন

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী
ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় আলোচিত ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে আরও একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি হলেন র‍্যাব-১-এর ল্যান্স নায়েক বাদশা জামান। এ নিয়ে মামলার ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

আগামী ১৭ মে মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন আদালত। ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত আজ বুধবার এ আদেশ দেন। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় রফিকুল ইসলাম মাদানীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

গাজীপুরের গাছা থানায় করা মামলায় রফিকুলের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল গাজীপুরের গাছা থানায় রফিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

রফিকুল ইসলাম মাদানীকে ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল নেত্রকোনায় তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চারটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। মামলার এজাহারে রফিকুলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৫ মার্চ বিক্ষোভকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়নি। ওই সময় বিক্ষোভ ও হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতাল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছিল। রফিকুল ইসলাম মাদানীর ওয়াজে সহিংসতার উসকানি ছিল বলে দাবি করেছে র‍্যাব।

রফিকুল ইসলাম মাদানীর বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামে। ইসলামি দলগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রফিকুলের বয়স ৩০-এর কাছাকাছি হলেও আকার-আকৃতির জন্য তাঁকে ‘শিশুবক্তা’ বলে ডাকেন তাঁর ভক্তরা।

আরও পড়ুন