ধানমন্ডিতে গলা কেটে জোড়া খুন, গৃহকর্মীর ফাঁসির রায়

রায় ঘোষণার পর আসামিকে ঢাকা মহানগর হাজত খানায় নেওয়া হচ্ছেছবি: প্রথম আলো

ছয় বছর আগে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এক শিল্পপতির শাশুড়ি ও গৃহকর্মীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এক আসামির ফাঁসি ও অপর আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন গৃহকর্মী সুরভী আক্তার নাহিদ।

খালাস পেয়েছেন আরেক গৃহকর্মী বাচ্চু মিয়া।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের কারণে কারাগারে থাকা দুই আসামিকে দুপুরে আদালতে হাজির করা হয়। দেড়টার দিকে বিচারক মামলার অভিযোগপত্র ও সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যালোচনা পড়ে শোনান ও বেলা ৩টা ১৭ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন বাচ্চু মিয়া।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহফুজ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় থাকতেন। ওই বাসায় দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়। আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক ওপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্স বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। তিনি ঘটনার দুদিন পর মামলা করেন।

২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। তারা হলেন আফরোজা বেগমের বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া এবং কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ। ওই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।