হেনলি অ্যান্ড পার্টনারসের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলছে, গত বছর পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৮তম। সে হিসাবে এ বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্টের চার ধাপ উন্নতি হয়েছে। তবে গত জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের পাসপোর্ট এক ধাপ আগে ১০৩তম অবস্থানে ছিল। তখন এই পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ৪০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারতেন।

সর্বশেষ প্রকাশিত এই পাসপোর্ট সূচকে ১১২টি ক্রমের মধ্যে ১০৪তম অবস্থানে বাংলাদেশের সঙ্গী কসোভো ও লিবিয়া। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মালদ্বীপ। ৬৩তম অবস্থানে থাকা দেশটির পাসপোর্ট দিয়ে আগাম ভিসা ছাড়াই ৮৯টি দেশে ভ্রমণ করা যাবে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভারতের পাসপোর্ট ৮৭তম অবস্থানে রয়েছে। ভুটানের পাসপোর্ট রয়েছে ৯৩তম অবস্থানে ও মিয়ানমারের পাসপোর্ট ৯৯তম। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে থাকা শ্রীলঙ্কার পাসপোর্টও বাংলাদেশের চেয়ে এক ধাপ আগে—১০৩তম অবস্থানে রয়েছে। সূচকে বাংলাদেশের পরে নেপাল ও পাকিস্তানের পাসপোর্ট রয়েছে যথাক্রমে ১০৬ ও ১০৯তম অবস্থানে।

হেনলি অ্যান্ড পার্টনারসের সূচক অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট জাপানের। দেশটির পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ১৯৩টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। এরপরই দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। সূচকের সবচেয়ে শেষে ১১২তম অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তানের পাসপোর্ট। দেশটির পাসপোর্ট ব্যবহার করে আগাম ভিসা ছাড়া ২৭টি দেশে ভ্রমণ করা যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন