দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, পুরোনো জাহাজ আমদানি ও রিসাইক্লিং করতে ২০১০ সালে রাইজিং গ্রুপকে বড় ঋণ দেয় সাউথইস্ট ব্যাংক হালিশহর শাখা। ঋণ পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুদক আসলামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। তদন্ত শেষে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ মামলায় আসলাম কারাগারে রয়েছেন। অন্যরা জামিনে গিয়ে পলাতক।

আসলাম চৌধুরী ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন তাঁর স্ত্রী রাইজিং স্টিল মিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান জামিলা নাজনীন মাওলা। আসলাম চৌধুরীর দুই ভাই ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমজাদ হোসেন চৌধুরী এবং পরিচালক জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সাউথইস্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুল আলম এবং ব্যাংকটির চট্টগ্রামের হালিশহর শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান (সাব্বির)।

২০১৬ সালের ১৫ মে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ফৌজদারি কার্যবিধির (সন্দেহজনক) ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর একই বছরের ২৬ মে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। মামলায় আসলামের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ‘বাংলাদেশের সরকার উৎখাত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ’ আনা হয়। এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিন পেয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন