এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আজ আইএসপিআরের পরিচালক আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর (ডিজিডিপি) ক্রয় চুক্তির আওতায়, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সার্বিয়া থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জন্য ক্রয়কৃত প্রশিক্ষণ মর্টার শেল বহনকারী একটি বিমান গ্রিসে বিধ্বস্ত হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, ‘ওই চালানে কোনো অস্ত্র ছিল না এবং চালানটি বিমার আওতাভুক্ত।’

default-image

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রিস কর্তৃপক্ষ কার্গো ও ক্রুদের সম্পর্কে তথ্য দিতে পারেনি। বিশেষ উদ্ধারকারী ও সেনা বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে গেছেন। স্থানীয় লোকজনকে ওই এলাকায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

সার্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী নেবোজসা স্টেফানোভিক রয়টার্সকে বলেন, ‘কার্গোতে মর্টার শেল ও ট্রেনিং শেল ছিল। এটি সার্বিয়ার নিস শহর থেকে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। এ কার্গোর মালিক সার্বিয়ার কোম্পানি ভালির। এটি বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও রয়েছে।’

default-image

গ্রিসের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইআরটি বলছে, ইঞ্জিন সমস্যার কথা জানিয়ে গ্রিসে জরুরি অবতরণের জন্য অনুরোধ জানানোর পরপরই কার্গো বিমানটির সংকেত বন্ধ হয়ে যায়। একজন স্থানীয় বাসিন্দা আইমিলিয়া সাপ্টানোভা ইআরটিকে বলেন, ‘আমি ভাবছি, কীভাবে এটা আমাদের বাড়িতে পড়ল না। ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল চারদিক। এমন শব্দ করছিল, যা বর্ণনা করার মতো নয়। এটি পাহাড়ের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং ভূমিতে বিধ্বস্ত হয়।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন