অনিক এর আগে ১৬ জানুয়ারিও পরীক্ষা দিয়েছেন। তখনও বিভাগ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা বহিষ্কারের চিঠি পায়নি। এ ছাড়া গত ১১ জানুয়ারি মাহমুদ হাসান ও নাহিদুল ইসলাম নামের দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেন।

গত ২ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সময় রাম দা উঁচিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন ছাত্রলীগ কর্মীরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ৯ ডিসেম্বর ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ। তাঁদের মধ্যে অনিকও ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ৫ জানুয়ারি সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি এ পরীক্ষা শেষ হবে। রোববার এ বর্ষের ৪০৪ নম্বর কোর্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা ছিল। বেলা সাড়ে ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অংশ নেন অনিক।

জানতে চাইলে সংস্কৃত বিভাগের সভাপতি রাজপতি দাশ প্রথম আলোকে বলেন, অনিক দাসের বহিষ্কারের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো চিঠি পাননি তাঁরা। চিঠি না পাওয়া পর্যন্ত অনিক পরীক্ষা দিতে পারবেন। চিঠি পেলে আর পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না।  

বহিষ্কার হওয়ার ১২ দিন পরও কেন বিভাগ চিঠি পায়নি জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মাহবুব হারুন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটি। চিঠি তৈরি করার দায়িত্ব ওই কমিটির। এ বিষয়ে জানতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়ার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।  

পরে প্রক্টর ও বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্যসচিব রবিউল হাসান ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। বেলা তিনটার দিকে তাঁর কার্যালয়ে গেলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।