আগস্টের ৫ ও ৬ তারিখ চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের প্রস্তাব দিয়েছিল চীন। ওই সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) বৈঠকে অংশ নিতে কম্বোডিয়ায় থাকবেন।

এমন পরিস্থিতিতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর নিয়ে ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জিমিং গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আগস্টের ৬ থেকে ৮ তারিখ সফর আয়োজনের প্রস্তুতির বিষয়ে কথা হয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বরে ঢাকায় এসেছিলেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতার পাশাপাশি বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী চীন। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের সময় দুই দেশের সম্পাদিত ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আসবে। এ ছাড়া চীনের মধ্যস্থতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনের প্রসঙ্গটিও আসতে পারে।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্যোগ জিএসআই এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ জিডিআইয়ের মতো বিষয়গুলো দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে আলোচনায় আসতে পারে। সারা বিশ্বের ‘অবিচ্ছেদ্য নিরাপত্তা’ এই মূলনীতিকে সামনে রেখে গত এপ্রিলে সি চিন পিং জিএসআই ঘোষণা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, জিএসআই ঘোষণার মধ্য দিয়ে চীন সারা বিশ্বে ‘বন্ধুপ্রতীম পরাশক্তির’ ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আর জিডিআইকে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজির পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন