এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জের পাঁচ বিজয়ীর নাম ঘোষণা
‘এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬’–এর বিজয়ী পাঁচটি প্রকল্পের নাম ঘোষণা করেছে এলজি ইলেকট্রনিকস সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ (এলজি)।
নির্বাচিত পাঁচটি সামাজিক উদ্যোগ বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর সমাধান প্রদানের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
গত মঙ্গলবার ঢাকার গুলশান–১–এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এলজি ইলেকট্রনিকস সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেরাল্ড চুন। এ ছাড়া অতিথি হিসেবে ছিলেন বিপণন বিভাগের প্রধান মো. রাকিবুল হাসান ও অর্থ বিভাগের প্রধান রেহানউদ্দিন।
২০২৬ সালের এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জের বিজয়ী পাঁচটি প্রকল্প হলো—
১. কোস্টাল লাইফলাইন (কক্সবাজার): মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই প্রকল্প উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ–ঝুঁকিতে থাকা এবং অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করবে।
২. অ আ ক খ স্কুল (সিরাজগঞ্জ): মো. আবদুল্লাহ রনির নেতৃত্বে পরিচালিত এই উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নে অবদান রাখবে।
৩. উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা/ভিএএন প্রজেক্ট (সাতক্ষীরা): মো. হাবিবুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই প্রকল্প উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা জোরদারে কাজ করবে।
৪. সুন্দরবনের নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন (খুলনা): শুভ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে পরিচালিত এই উদ্যোগ নারীদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই আয়ের সুযোগ সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করবে।
৫. প্রজেক্ট উদয় (রাজশাহী): সাবরিনা হকের পরিচালনায় এই প্রকল্প স্থানীয় অসচ্ছল পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও সামগ্রিক জীবনমান বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি বিজয়ী অ্যাম্বাসেডরদের সঙ্গে পুরো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে এলজি। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, কার্যকর বাস্তবায়ন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে সর্বোচ্চ ইতিবাচক প্রভাব নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
এলজি ইলেকট্রনিকস সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের ব্রাঞ্চ লিডার সংহো চন বলেন, ‘২০১৭ সালে বাংলাদেশে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা অসংখ্য সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে সহায়তা করেছি, যা সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, “লাইফ ইজ গুড” শুধু একটি ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি নয়; এটি মানুষের জীবনকে আরও ভালো করার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’