মো. হানিফ নোয়াখালী সদর উপজেলার মাইজদী এলাকার মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে। ভোট, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মানোন্নয়ন এবং ঘুষ, দুর্নীতি ও অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিচ্ছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু বিগত ৫০ বছরেও স্বাধীনতার লক্ষ্য পূরণে কোনো সরকারই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তবে আপনি ও আপনার সরকার স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৩ বছরে বিগত সময়ের তুলনায় বেশি উন্নয়ন করেছেন। এ জন্য ধন্যবাদ। আগের সরকারে যাঁরা ছিলেন, সে সময়ও দেশে ভোট, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ হয়েছে। ঘুষ, দুর্নীতি, অর্থ পাচার হয়েছে। সামাজিক, মানবিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় আগেও ছিল, এখন আরও চরম আকার ধারণ করেছে। আশা করি, আপনার যোগ্য নেতৃত্বে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ঘুষ, দুর্নীতি ও অর্থ পাচার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পাচারকৃত অর্থ ফেরত এনে যুবকদের মধ্যে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহজ শর্তে ঋণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। ভোট, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মানোন্নয়নে আরও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। জাতির পিতার কন্যা হিসেবে আপনার কাছে সেটাই কামনা।’

হানিফ বাংলাদেশি জানান, তিনি চার বছর ধরে বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সারা দেশে ঘুরে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। এর আগে ২০১৯ সালে ভোটাধিকার ও নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে পদযাত্রা, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে জনবহুল এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের দাবিতে প্রচারাভিযান চালান।

হানিফ আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুর পরিবর্তন ঘটবে। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষ তাঁর দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে লড়াইয়ে নামবেন এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন এ দেশে। হানিফ নিজের জমানো অর্থ ও সমমনা বন্ধুবান্ধবের সহযোগিতায় সারা দেশে ঘুরে ঘুরে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।