আবেদনকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির প্রথম আলোকে বলেন, ৪ জুলাই শিশুদের বিবৃতি রেকর্ডের সময় উপস্থিতি নিয়ে মূলত পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা বলছেন, শিশুদের চাচা (হাবিবুর রহমান) পরিবেশ নষ্ট করেছেন। অন্যদিকে শিশুদের চাচা অভিযোগ করেছেন, তদন্ত কর্মকর্তাসহ তিনজন থাকার কথা থাকলেও অতিরিক্ত একজনের উপস্থিতি দেখা গেছে। শিশুদের বিবৃতি রেকর্ডের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে জানতে বাবুল আক্তারের ভাই হাবিবুর রহমান ও মাগুরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আশাদুল ইসলামকে ৭ আগস্ট উপস্থিত হতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, শিশুদের বিবৃতি রেকর্ড নিয়ে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। দুই শিশুর বিবৃতি রেকর্ডের সময় বাবুলের ভাই হাবিববুর রহমান আশপাশে উপস্থিত ছিলেন বলে দেখা গেছে। অথচ আদালতের আদেশ অনুসারে তাঁর উপস্থিত থাকার কথা নয়। আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন বিষয়ে জানতে হাইকোর্ট বাবুলের ভাই এবং ওই কর্মকর্তাকে ৭ আগস্ট আদালতে উপস্থিত হতে বলেছেন।

হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, শিশু আইনের বিধান অনুসরণ করে তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়কে স্থান হিসেবে নির্ধারণ করে শিশুদের বিবৃতি রেকর্ড করতে পারবেন। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে দাদা শিশুদের মাগুরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে হাজির করবেন। শিশুদের বিবৃতি রেকর্ডের সময় শুধু দাদা থাকবেন। চাচা বা অন্য কোনো ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা ও জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বা তাঁর মনোনীত কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন