মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আগামী দিনের কৃষিকে আমরা বাণিজ্যিক ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে উন্নীত করতে চাই। কৃষিতে শিক্ষিত, মেধাবী ও সৃজনশীল তরুণদের আকৃষ্ট করতে চাই। এই সম্মাননা এ ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।’

সরকার দেশে কৃষির সাফল্যের অন্যতম কারিগর কৃষক, কৃষিবিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, উৎপাদনকারী, খামারিসহ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের উৎসাহিত করতে ২০১৯ সালে এআইপি নীতিমালা প্রণয়ন করে। এর আলোকে প্রথমবার ২০২০ সালের সম্মাননা আজ প্রদান করা হলো। এআইপি সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিরা সিআইপিদের মতো সুযোগ–সুবিধা পাবেন।

বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কারে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত বিভাগে এআইপি সম্মাননাপ্রাপ্ত মোছা. নুরুন্নাহার বেগম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘কৃষিকাজ করে এত বড় সম্মান পাওয়া যাবে আমরা কল্পনাও করিনি। আমাকে কেউ ১০ লাখ টাকা দেক, আমি তা চাই না। কিন্তু এ সম্মাননা অনেক বড় পাওয়া। মাটিকে ঘুষ দেওয়া লাগে না। মাটির সঙ্গে পরিশ্রম করলে, মাটি আমাদের সঙ্গে কথা বলে।’

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। সভাপতিত্ব করেন কৃষিসচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদা আক্তার।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন