ভোটের প্রচার শুরুর ১২ দিনে ১৮৪ মামলা
এসব মামলায় ২১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১২৯টি জায়গায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটল।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার শুরুর পর থেকে ১২ দিনে হামলা-সংঘর্ষ, নাশকতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সারা দেশে ১৮৪টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ২১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে গত শনিবার রাত থেকে গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত দেশের ১২টি স্থানে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ২৯ জন আহত হয়েছেন। প্রথম আলোর হিসাব অনুযায়ী, গত ১৪ দিনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় এ পর্যন্ত ১২৯টি জায়গায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটল।
পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি-অপারেশনস) মো. আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ১৮ থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ দিনে হামলা-সংঘর্ষ, নাশকতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় ১৮৪টি মামলা হয় এবং এসব মামলায় ২১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল রাজশাহীর বাগমারায় বড় সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হকের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যে কেউ অভিযোগ করলে করতেই পারেন। তবে তার সত্যতা কতটুকু, সেটা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। তদন্ত ছাড়াই কারও ওপর দায় চাপিয়ে দেওয়া দায়িত্বহীনতার পরিচয়।আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুল হক
হামলা, সংঘর্ষ, মারপিট
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১০ জন ও নৌকার প্রার্থীর ৪ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কার্যালয় ভাঙার অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনের বিরুদ্ধে। গতকাল সন্ধ্যার আগে উপজেলার মাদারীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
* বাগমারায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫ জন। * গফরগাঁওয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা। * রাজশাহীতে মাহিয়া মাহির নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হকের উদ্যোগে গণিপুর ইউনিয়নের মাদারীগঞ্জ বাজারে প্রচার মিছিল ছিল। এ জন্য তিনি মোটরবাইক, ভটভটি, পিকআপ ভ্যানসহ দুই শতাধিক বাহন নিয়ে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সেখানে পৌঁছান। সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের গণিপুর ইউনিয়নের দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। এনামুল হকের নেতৃত্বে প্রচার মিছিল শুরু হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৪ জন আহত হন। পরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তাঁরা ঈদগাহ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা করে। প্রথমে তাঁদের পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুরে বাধা দিলে তাঁদের লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়।
এই ঘটনার পর এনামুল হক সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা করেন। তিনি এই ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজনকে দায়ী করেন।
নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ জানান, তিনি গণসংযোগ করছেন। তবে তিনি স্থানীয় কর্মীদের কাছ থেকে জেনেছেন, এনামুল হকের নির্দেশে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হোসেনের গাড়িবহরে নৌকার প্রার্থী ফাহমি গোলন্দাজের সমর্থকেরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার পর স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকেরা গফরগাঁও থানার সামনে বিক্ষোভ করেন। গতকাল রাত আটটার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পৌর শহরের জামতলী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হোসেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, অতর্কিতে হামলা চালিয়ে মোটরসাইকেল, গাড়িসহ ৫০টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরের পেছনের দিকে হামলায় কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে ফাহমি গোলন্দাজের মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ আবদুল্লাহ বিন কুদ্দুসের (ট্রাক) পাঁচ কর্মীকে পিটিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার রাত ১০টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার কচুগাড়ি ঈদগাহর পাশে এ হামলার জন্য নৌকার প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারীর কর্মীদের দায়ী করেছেন ভুক্তভোগী কর্মীরা।
বড়াইগ্রাম থানা ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের কচুগাড়ি গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে গতকাল রাত ১০টার দিকে জোনাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাঁচ কর্মী বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁরা ঈদগাহ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা করে। প্রথমে তাঁদের পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুরে বাধা দিলে তাঁদের লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বড়াইগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহমেদ ওরফে শিষাণের এক কর্মীকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। ছেকার আহমেদের অভিযোগ, নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা এ হামলা চালিয়েছেন। হামলায় আহত রেজাউল ইসলাম (৬০) নওগাঁ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পারনওগাঁ এলাকার বাসিন্দা। তিনি নওগাঁ পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক।
নৌকার প্রার্থী নিজাম উদ্দিন জলিলের অনুসারী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুল হক বলেন, ‘যে কেউ অভিযোগ করলে করতেই পারেন। তবে তার সত্যতা কতটুকু, সেটা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। তদন্ত ছাড়াই কারও ওপর দায় চাপিয়ে দেওয়া দায়িত্বহীনতার পরিচয়।’
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা বিশ্বনাথ সরকারের একজন সমর্থককে মারধর করা হয়েছে। তারাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মারধর করেছেন বলে শনিবার সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছেনার আলী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈন উদ্দিনের (কলার ছড়ি) এক কর্মীকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফুর রহমান গতকাল বেলা ১১টার দিকে থানায় উপস্থিত হয়ে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধার (ঈগল) ভগ্নিপতি শেখ জমসেদ আলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই জিডি করেন।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়কারী শেখ ফায়িজ উল্লাহ শিপনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণাকালে তিনি এই হামলার শিকার হন। ঘটনার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীকের সেলিনা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সেলিনা ইসলাম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী।
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাজহারুল ইসলামের সমর্থকদের হামলায় নৌকার প্রার্থী আহমেদ হোসেনের পাঁচজন সমর্থক আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে আগিয়া ইউনিয়নের হাটকান্দা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গতকাল থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির (শারমিন আক্তার) নির্বাচনী ক্যাম্পে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। শনিবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের ভাগাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।
গতকাল সকালে মাহি তাঁর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে আগুনের ঘটনা জানান। এরপর দুপুরে গোদাগাড়ীতে প্রচারকালে মাহিয়া মাহি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগের রাতে তারা আমার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিয়েছে। এই ঘটনা আমি প্রশাসনকে অবহিত করেছি। ওই ঘটনার রেশ ধরেই রাতে আমার অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে।’
মাদারীপুর-৩ (সদরের একাংশ, কালকিনি ও দাসার) আসনে কালকিনি উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগমের সমর্থকদের বিরুদ্ধে নৌকার প্রার্থী আবদুস সোবহান গোলাপের সমর্থক এক মুক্তিযোদ্ধার বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাতে কালকিনি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর উত্তর কৃষ্ণনগর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান সরদার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার বীর নিবাসে পরিবার নিয়ে বসবাস করি। ঈগলের সমর্থকেরা আমাকে হুমকি দিয়েছে। ওদের কথা না শোনায় ওরা আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। জানালার গ্লাস ভেঙে ভেতরে মালামালও ভাঙচুর করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক তৌফিকুজ্জামান শাহীন বলেন, ‘নৌকার প্রার্থী দিশাহারা হয়ে এখন আমাদের দিকে মিথ্যে অভিযোগ করাচ্ছেন। তাঁরা নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের কর্মী–সমর্থকদের দায়ী করছেন।’
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পের পাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন বলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে গতকাল দুপুরে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঈগল প্রতীকের প্রার্থী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী হক এই অভিযোগ দেন। তিনি রাজবাড়ী-২ (পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলা) আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের মাঝের ছড়া বাজারে সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনে নৌকার প্রার্থী রনজিত চন্দ্র সরকারের সমর্থনে বাঁশ, রশি ও কাপড় দিয়ে বানানো নৌকা প্রতীকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে নৌকাটির কিছু অংশ পুড়ে গেছে।
[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা]