গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে মৃত্যু, তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে গাইবান্ধার সিভিল সার্জনকে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেন।
‘সুন্দরগঞ্জ: ৭২ ঘণ্টায় তিন মৃত্যু, ভ্যাকসিন সংকটে বাড়ছে জলাতঙ্ক আতঙ্ক’ শিরোনামে একটি গণমাধ্যমের অনলাইন সংস্করণে ১০ মে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে ও জলাতঙ্কগ্রস্ত কুকুরের আক্রমণে আহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় খরচে যথাযথ চিকিৎসাসহ কয়েকটি বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী মো. সাফিনুর ইসলাম ১৭ মে রিটটি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম হায়দার পটোয়ারী। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানিতে অংশ নেন, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আবিদ চৌধুরী।
সুন্দরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে পাঁচজন মারা গেছেন বলে জানান আইনজীবী শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, শুনানি নিয়ে আদালত সরেজমিন তদন্ত করে সিভিল সার্জনকে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। তাঁরা কেন মারা গেছেন, কী কারণে মারা গেছেন, কোনো গাফিলতি ছিল কি না—সবকিছু মিলিয়ে। ৮ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে ১৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের তিনজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং দুজন নিজ বাড়িতে মারা যান বলে জানা গেছে।